বৃ'দ্ধ পিতা কত অ'নুনয়-বি'নয় করে কেঁ'দে কেঁ'দে বলেছিলেন—"আমি কোথায় যাব রে
বৃ'দ্ধ পিতা কত অ'নুনয়-বি'নয় করে কেঁ'দে কেঁ'দে বলেছিলেন—"আমি কোথায় যাব রে
অসহায় ওই বৃদ্ধ পিতা কত অনুনয়-বিনয় করে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন—”আমি কোথায় যাব রে মা, আমি বড্ড অসুস্থ! এই বৃদ্ধ বয়সে আমাকে বাড়ি থেকে বাহির করে দিও না।” কিন্তু সেই আকুল আর্তনাদ ওই পাষাণ শিক্ষিকা মেয়ে আর স্ত্রীর মন গলাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত চোখের পানিতে গায়ের পাঞ্জাবি ভিজিয়ে, হাত দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে এক কাপড়ে অজানার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বাহির হয়ে গেলেন এক অসহায় পিতা। যে মানুষটির আজ ঘরে বসে নাতি-নাতনিদের সাথে হেসে-খেলে আর রাজকীয় সম্মানে দিন কাটানোর কথা ছিল, আজ গাছতলায় বা রাস্তার মোড়ে রোদ-বৃষ্টি-মেঘে ভিজে কোথায় হবে তাঁর শেষ ঠিকানা—সেই চিন্তাটুকুও করল না তাঁর নিজের রক্ত!
এই ঘটনা প্রমাণ করে, বর্তমান সমাজে শিক্ষার সার্টিফিকেট থাকলেই মানুষ হওয়া যায় না। যে মেয়ে নিজে স্কুলে গিয়ে অন্য বাচ্চাদের নৈতিকতা আর আদর্শ শেখায়, সে নিজেই আজ টাকার ও ক্ষমতার গরমে অন্ধ হয়ে নিজের জন্মদাতাকে পি/টি/য়ে রাস্তায় ফেলে দিল! দুনিয়ার স্নেহ, মায়া, মমতা আসলেই অনেক ক্ষেত্রে আজ বৃথা আর মিছা হয়ে গেছে।
হাটি হাটি পা পা করে যে বাবার হাত ধরে একদিন এই পৃথিবীর আলো-বাতাস চিনেছিল ছোট্ট মেয়েটি, নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে পিতা রক্ত পানি করে মেয়েকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে আজ স্কুলের ‘শিক্ষিকা’ বানালেন—আজ সেই বাবাই যখন স্ট্রোক করে শারীরিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়লেন, তখন সেই পাপিষ্ঠ মেয়ে আর ৫০ বছরের সংসার করা স্ত্রী মিলে তাঁকে লা/ঠি দিয়ে পি/টি/য়ে রাস্তা ধরিয়ে দিল!”—সম্প্রতি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা সরকারি কলেজের উত্তর গেটের সাথে ঘটে যাওয়া এই নজিরবিহীন ও পৈশাচিক ঘটনাটি পুরো দেশের মানুষের বিবেককে চরমভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment