স্ত্রীর এই আর্তনাদ কি আপনার কানে পৌঁছে


স্ত্রীর এই আর্তনাদ কি আপনার কানে পৌঁছে? নাকি নিজের উত্তেজনার সাগরে ডুবে আপনি তখন বধির হয়ে যান?


একবার বুকে হাত দিয়ে বলুন তো—

রাতে দরজা বন্ধ করার পর আপনি কি আপনার স্ত্রীর প্রেমিক থাকেন, নাকি 'জল্লাদ' হয়ে যান?


আপনার পুরুষাঙ্গ শক্ত হলো মানেই কি স্ত্রীর শরীর প্রস্তুত?

বিয়ে করেছেন ১০ বছর হলো, অথচ আজও জানেন না আপনার স্ত্রীর শরীরের ঠিক কোন জায়গায় হাত দিলে সে কারেন্টের শকের মতো কেঁপে ওঠে!

লজ্জা! ধিক্কার আপনার পৌরুষে!


আজকের এই লেখাটি পড়ার পর হয়তো অনেক পুরুষ আমাকে গালি দেবেন। কিন্তু সত্যটা হলো, আমাদের দেশের ৮০% নারী রাতে বিছানায় স্বামীর দ্বারা এক প্রকার 'বৈধ ধর্ষণের' শিকার হন।

তারা চুপ থাকেন, কারণ সমাজ শিখিয়েছে—"স্বামীর ইচ্ছেই তোমার ইচ্ছে।"

কিন্তু শরীর তো আর সমাজ বোঝে না! শুকনা যোনিতে (Vagina) যখন আপনি জোর করে আপনার অস্ত্র প্রবেশ করান, তখন ওই নারীটি কী পরিমাণ নরক যন্ত্রণা ভোগ করে—সেটা বোঝার ক্ষমতা আপনার নেই।


আজ আমরা সেই 'নোংরা' সত্যগুলো সামনে আনব, যা বেডরুমের চার দেওয়ালের মাঝে চাপা পড়ে আছে। যদি সংসার বাঁচাতে চান, তবে কান পেতে শুনুন।


১: "এক মিনিটের খেলা এবং পুরুষের ভুল ধারণা" 

অধিকাংশ পুরুষের কাছে সেক্স বা মিল*ন হলো অনেকটা 'কাপ নুডলস'-এর মতো। গরম পানি ঢালো, ২ মিনিটে রেডি!

আপনারা মনে করেন, আপনাদের যেমন একটা হট ভিডিও বা সুন্দরী নারী দেখলেই নিচে রক্ত চলে আসে, নারীদেরও বুঝি তাই।

আপনাদের 'বিশেষ অঙ্গ' শক্ত হতে সময় লাগে ৩০ সেকেন্ড। আর আপনার ধারণা, স্ত্রীর মেশিনেও বোধহয় সুইচ আছে, টিপ দিলেই চালু!


ভুল! মারাত্মক ভুল!

নারী কোনো ভিডিও দেখে বা আপনার শক্ত শরীর দেখে উত্তেজিত হয় না। নারী উত্তেজিত হয় 'অনুভূতি' দিয়ে।

আপনি যখন পোশাক খুলে প্যান্টের জিপার নামিয়েই তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন, তখন তার শরীর থাকে 'মরুভূমির' মতো খটখটে শুকনো।

ওই শুকনো রাস্তায় যখন আপনি ঘর্ষণ শুরু করেন, তখন তার যোনির ভেতরের নরম চামড়াগুলো ছিঁড়ে যায়। জ্বলে যায়।

আপনি ২ মিনিট ঝাঁকুনি দিয়ে আপনার 'রস' বের করে শান্তি পান। আর আপনার নিচে থাকা ওই মানুষটা তখন ব্যথায় কুকড়ে যায়। তার মনে তখন আপনার প্রতি ভালোবাসা জন্মায় না, জন্মায় গভীর ঘৃণা।


ফলাফল পরের দিন রাতে যখন আপনি আবার তার গায়ে হাত দেন, সে হাত সরিয়ে দেয়। সে বাহানা করে—"মাথা ব্যাথা, শরীর খারাপ।"

আপনি তখন ভাবেন, "আমার বউয়ের সে*ক্স নেই। ও আমাকে চায় না।"

আরে ভাই! সে আপনাকে চায়, কিন্তু আপনার ওই 'পশুসুলভ' আচরণকে চায় না। আপনি তাকে আদর দেননি, আপনি তাকে ব্যথা দিয়েছেন। মানুষ কি ইচ্ছা করে আগুনে হাত দেয়?


২: "ফোরপ্লে (Foreplay) বা আদরের কৌশল

"ফোরপ্লে" শব্দটা শুনলেই অনেকে নাক সিঁটকান। ভাবেন—এসব তো সিনেমায় হয়।

শুনুন, রান্না না করে কাঁচা মাংস চিবিয়ে খেতে পারবেন? পারবেন না।

তেমনি স্ত্রীকে প্রস্তুত না করে মিলন করা আর কাঁচা মাংস খাওয়া একই কথা।


নারীর শরীর হলো একটা কয়লার চুলার মতো। জ্বলে উঠতে সময় লাগে, কিন্তু একবার জ্বললে সেই আগুন সহজে নেভে না।

স্বামী হিসেবে আপনার প্রথম দায়িত্ব হলো তার শরীরে আগুন ধরানো। তার গোপন অঙ্গে হাত দেওয়ার অনেক আগে আপনাকে তার মস্তিষ্কে হাত দিতে হবে।


কিভাবে শুরু করবেন?

খেলা শুরু হয় বিছানায় যাওয়ার ২০ মিনিট আগে থেকে নয়, বরং সকাল থেকে।

— একটা দুষ্টু মেসেজ, একটু জড়িয়ে ধরা, রান্নাঘরে পেছন থেকে বুকে টেনে নেওয়া।

এতেই তার ব্রেইনে সিগন্যাল চলে যায়—"আজ রাতে কিছু একটা হবে।"

মানসিকভাবে সে তখনই ভিজতে শুরু করে।


-৩: স্ত্রীর শরীরের ৩টি গোপন সুইচ (যেখানে হাত দিলে সে পাগল হবেই) 

আপনি হয়তো ভাবছেন, "আমি তো জানি, স্তন টিপলেই মেয়েদের গরম লাগে।"

ভুল! নারীরা সব সময় স্তনে বা যোনিতে হাত দিলে খুশি হয় না। বরং হুট করে সেখানে হাত দিলে তারা বিরক্ত হয়।

আপনার স্ত্রীর শরীরে এমন কিছু গোপন জায়গা আছে, যেখানে স্পর্শ করলে সে 'মোমের মতো' গলে যাবে। জানেন সেগুলো কী?


নারীদের ঘাড়ের পেছনের অংশ এবং কানের লতি (Ear lobes) হলো হাই ভোল্টেজ এলাকা।

সরাসরি ঠোঁটে চুমু না খেয়ে, পেছন থেকে জড়িয়ে ধরুন। তার চুলগুলো সরিয়ে ঘাড়ে আলতো করে গরম নিঃশ্বাস ফেলুন। জিহ্বা দিয়ে কানের লতিতে সুড়সুড়ি দিন।

বিশ্বাস করুন, এই একটা কাজে আপনার স্ত্রী যদি শিহরিত হয়ে না ওঠে, তবে বলবেন! সে তার চোখ বন্ধ করতে বাধ্য হবে।


স্ত্রীকে উপুড় করে শোয়ান। তার মেরুদণ্ড বরাবর নখ দিয়ে আলতো করে আঁচড় কাটুন (জোরে নয়)। অথবা আঙুলের ডগা দিয়ে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত স্পর্শ করুন।

নারীদের এই জায়গাটি স্নায়ু দিয়ে ভর্তি। এই স্পর্শ তাকে পাগল করে দেবে।


সরাসরি যোনিতে হাত দেবেন না। তার দুই উরুর মাঝখানের নরম মাংসল অংশে হাত বুলান। চুমু খান। কিন্তু আসল জায়গায় হাত দেবেন না।

এই "ছুঁই ছুঁই" খেলাটা তাকে পাগল করে দেবে। সে মনে মনে বলবে, "কেন ধরছ না?"

যখন সে নিজেই আপনার হাত টেনে তার বিশেষ জায়গায় নেবে—তখন বুঝবেন, সে এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত!


-৪: "থুথু লাগানো"—ছিঃ! 

অধিকাংশ পুরুষ এই জঘন্য ভুলটা করেন। যোনিপথ শুকনো দেখলে ফট করে নিজের থুথু লাগিয়ে পিচ্ছিল করার চেষ্টা করেন।

ছিঃ ভাই! আপনার মুখের থুথুতে লক্ষ কোটি ব্যাকটেরিয়া থাকে। এটা দিয়ে আপনি আপনার স্ত্রীর জরায়ুতে ইনফেকশন ঢুকাচ্ছেন।

তাছাড়া থুথু ২ সেকেন্ডেই শুকিয়ে যায় এবং জায়গাটা আরও খসখসে করে ফেলে।


সমাধান:

লুব্রিকেন্ট (Lubricant) ব্যবহার করুন। লজ্জা ভেঙে ফার্মেসি থেকে ভালো মানের জেলি বা লুব্রিকেন্ট কিনুন।

না থাকলে ঘরে থাকা নারিকেল তেল বা বেবি অয়েল ব্যবহার করুন (কন্ডোম ব্যবহার না করলে)।

বিশেষ করে বয়স যখন ৩৫ বা ৪০ পার হয়, কিংবা বাচ্চা হওয়ার পর নারীদের যোনিপথ প্রাকৃতিকভাবে শুকিয়ে যায়। তখন লুব্রিকেন্ট ছাড়া মিলন করা মানে তাকে ব্লেড দিয়ে কাটার মতো কষ্ট দেওয়া।


৫: অর্গাজম বা চূড়ান্ত সুখ 

এখানেই হয় সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি।

আপনার অস্ত্র ভেতরে ঢোকানোর ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে আপনার 'সাদা জল' বেরিয়ে যায়। আপনি তখন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্লান্ত মানুষ। আপনি ধপ করে শুয়ে পড়েন বা পাশ ফিরে ঘুমান।

কিন্তু ওই মুহূর্তে আপনার স্ত্রীর মন ও শরীরের অবস্থা কী জানেন?

সে কেবল উত্তেজিত হলো আর আপনি শেষ


শেষ কথা 

আপনার যদি শারীরিক অক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিরীহ মানুষ। আপনার না আছে স্ত্রীর কাছে সম্মান আর না আছে আপনার মনে শান্তি। পৃথিবীর সবাই আপনাকে ভয় আর শ্রদ্ধা করলেও সবই বেকার। মনে রাখবেন যে পুরুষ নারী মহলে বাহাদুরি করতে পারে সেই আসল পুরুষ। 


🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

সোহেল বলেন,আমি একা রামিসাকে হ`ত্যা করিনি, আমার সাথে ছিলো রামিসার নিজের আপন...

সেক্সের সময় স্তনের ভূমিকা: ইসলাম কী বলে? লেখাটি প্রত্যেকের পড়া উচিত

একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি