৫ বছর প্রবাসে থাকার পরে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে এসে নিজের মেয়ে এবং বউ কে দেখে…

 ৫ বছর প্রবাসে থাকার পরে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে এসে নিজের মেয়ে এবং বউ কে দেখে


জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ ৫ বছর পরিবারের থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে কাটিয়েছেন তিনি। ঈদ, জন্মদিন, পারিবারিক অনুষ্ঠান—সবকিছু থেকেই ছিলেন দূরে। মোবাইল ফোনের স্ক্রিনেই দেখেছেন মেয়ের বড় হয়ে ওঠা, আর ভিডিও কলে কাটিয়েছেন স্ত্রীকে ছাড়া অসংখ্য নির্ঘুম রাত।


অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান। দেশে ফিরেই বিমানবন্দরের গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় চোখে পড়ে স্ত্রী ও ছোট্ট মেয়েকে। কয়েক সেকেন্ডের জন্য যেন থমকে যায় সময়। মেয়েটিও দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে, আর সেই মুহূর্তে নিজের আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি প্রবাসী বাবা।


বিমানবন্দরজুড়ে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। উপস্থিত অনেকেই এই দৃশ্য দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। কারণ, একটি পরিবারের জন্য ৫ বছর কতটা দীর্ঘ সময়, তা শুধু একজন প্রবাসী এবং তার পরিবারই জানে।


স্বজনদের ভাষ্য, পরিবারের সুখের জন্য নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করেছেন তিনি। মেয়ের শৈশবের অসংখ্য মুহূর্ত মিস করেছেন, তবুও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে দিনরাত কাজ করে গেছেন।


আজ সেই কষ্টের কিছুটা হলেও যেন সার্থক। বাবাকে কাছে পেয়ে মেয়ের মুখে ফুটেছে হাসি, আর স্বামীকে ফিরে পেয়ে আবেগে আপ্লুত স্ত্রী।


ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল প্রবাসী। পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে যারা নিজের সুখ, স্বপ্ন আর অনুভূতিগুলোকে দূরে সরিয়ে রেখে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ❤️

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

সোহেল বলেন,আমি একা রামিসাকে হ`ত্যা করিনি, আমার সাথে ছিলো রামিসার নিজের আপন...

সেক্সের সময় স্তনের ভূমিকা: ইসলাম কী বলে? লেখাটি প্রত্যেকের পড়া উচিত

একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি