জেনেশুনে খাটো মেয়েকে বিয়ে করবেন না—

 জেনেশুনে খাটো মেয়েকে বিয়ে করবেন না—এমন কথা ইসলামের শিক্ষা নয়। বরং একজন মানুষকে তার উচ্চতা, গায়ের রং, সৌন্দর্য বা শারীরিক গঠনের মাধ্যমে বিচার না করে তার চরিত্র, ঈমান, তাকওয়া এবং আখলাকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করাই ইসলামের শিক্ষা।



আজকের সমাজে অনেকেই বিয়ের ক্ষেত্রে বাহ্যিক সৌন্দর্য, উচ্চতা বা পারিবারিক অবস্থানকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেন। অথচ এসব বিষয় একজন মানুষের প্রকৃত মর্যাদার মাপকাঠি নয়। একজন লম্বা মানুষ যেমন ভালো চরিত্রের হতে পারে, তেমনি একজন খাটো মানুষও উত্তম চরিত্র, দ্বীনদারিতা ও মানবিক গুণাবলীর অধিকারী হতে পারে।


রাসূল ﷺ বিয়ের ক্ষেত্রে দ্বীনদারিতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে উৎসাহিত করেছেন। কারণ সৌন্দর্য, সম্পদ বা বংশ-মর্যাদা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু উত্তম চরিত্র ও আল্লাহভীতি একটি পরিবারকে সুখী ও স্থায়ী করে তোলে।


একজন স্ত্রী যদি স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত হন, নামাজি হন, পর্দাশীল হন, পরিবারকে সম্মান করেন এবং আল্লাহকে ভয় করেন, তাহলে তার উচ্চতা কখনোই বৈবাহিক জীবনের সফলতার প্রধান বিষয় হতে পারে না। একইভাবে একজন স্বামীর ক্ষেত্রেও তার চরিত্র, দায়িত্ববোধ ও দ্বীনদারিতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় মানুষের শারী/রিক বৈশিষ্ট্যকে নয়, তার চরিত্র, আচার-আচরণ, দ্বীনদারিতা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্যকে গুরুত্ব দিন। কারণ ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের মর্যাদা তার তাকওয়ার উপর নির্ভরশীল, উচ্চতার উপর নয়।


আল্লাহ আমাদেরকে বাহ্যিক রূপের মোহ থেকে দূরে থেকে উত্তম চরিত্র ও দ্বীনদারিতাকে প্রাধান্য দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।



🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

সোহেল বলেন,আমি একা রামিসাকে হ`ত্যা করিনি, আমার সাথে ছিলো রামিসার নিজের আপন...

সেক্সের সময় স্তনের ভূমিকা: ইসলাম কী বলে? লেখাটি প্রত্যেকের পড়া উচিত

একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি