গ্রে'ফতার হলেন ডিবি হারুন! যা জানা গেল

 গ্রে'ফতার হলেন ডিবি হারুন! যা জানা গেল


গ্রেফতার হলেন ডিবি হারুন' শিরোনামে মূলধারার গণমাধ্যম যমুনা টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। ফটোকার্ডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের গ্রেফতার হওয়ার ছবি দাবিতে একটি ছবিও সংযুক্ত করে প্রচার করা হয়েছে।


ফ্যাক্টচেক


রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, 'গ্রেফতার হলেন ডিবি হারুন' শিরোনামে যমুনা টিভি আলোচিত ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। প্রকৃতপক্ষে, যমুনা টিভির ফটোকার্ড ডিজাইনের আদলে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তার আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া ডিবি হারুনের আটক অবস্থার ছবি দাবিতে প্রচারিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এতে যমুনা টিভির নাম, লোগো উল্লেখ রয়েছে। এরই সূত্র ধরে যমুনা টিভির ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করে এ সংক্রান্ত কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি। যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলেও এ বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য পাওয়া যায়নি।


এছাড়া, যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলোর সঙ্গে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডটির তুলনা করলে শিরোনাম ও ফন্টের আকারে পার্থক্য দেখা যায়। এছাড়াও, যমুনা টিভির ফটোকার্ডে এরূপ সংবাদের ক্ষেত্রে ফটোকার্ড প্রচারের তারিখ উল্লেখ করা হয় কিন্তু আলোচিত ফটোকার্ডে তারিখের উল্লেখ নেই। পাশাপাশি, প্রচারিত ফটোকার্ডে 'বিস্তারিত কমিটি' লেখা রয়েছে কিন্তু যমুনা টিভির ফটোকার্ডে এরূপ কোনো শব্দগুচ্ছ থাকে না।এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় সম্পাদনার মাধ্যমে যমুনা টিভির ফটোকার্ডের আদলে ভুয়া এই ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।


পরবর্তীতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডে সংযুক্ত ছবির বিষয়ে অনুসন্ধানে ছবিটি আসল হওয়ার সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। ছবিটি পর্যবেক্ষণ করলে ডিবি হারুন, পুলিশ, সাংবাদিকের অঙ্গভঙ্গি, ত্বকের গড়ন ও পারিপার্শ্বিক অবস্থায় অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায় যা সাধারণত এআই প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি কনটেন্টে লক্ষ্য করা যায়।


পাশাপাশি, প্রচারিত ছবিটি এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি কিনা তা যাচাই করতে রিউমার স্ক্যানার টিম গুগলের বিশেষ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি 'SynthID' ব্যবহার করে। গুগলের এই প্রযুক্তি এআই দিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও বা অডিওতে অদৃশ্য জলছাপ যুক্ত করে, যা খালি চোখে দেখা না গেলেও গুগলের নিজস্ব টুলের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। ছবিটি সিন্থআইডি দিয়ে বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এই ছবিটির পুরো অংশ বা অনেকটা অংশই গুগল এআই ব্যবহার করে তৈরি বা এডিট করা হয়েছে। এছাড়া, ছবিটি এআই শনাক্তকারী প্ল্যাটফর্ম 'হাইভমডারেশন' অনুযায়ী, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।


এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে প্রচারিত ছবিটি আসল নয় বরং, এআই প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক প্রধান হারুনের সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়ার দাবির সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি


সুতরাং, 'গ্রেফতার হলেন ডিবি হারুন' শিরোনামে যমুনা টিভির নামে প্রচারিত ফটোকার্ডটি ভুয়া।।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

সেক্সের সময় স্তনের ভূমিকা: ইসলাম কী বলে? লেখাটি প্রত্যেকের পড়া উচিত

একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি

সন্তান বড় হলে স্বামী-স্ত্রী কিভাবে যৌ*ন চাহিদা পূরণ করবে! এক মিনিট সময় নিয়ে লেখাটি বিস্তারিত পড়ুন।